

কেন গবেষণা শুরু করা জরুরি, কীভাবে নিজের রিসার্চ ইন্টারেস্ট খুঁজে পাবেন, কোন মানুষের সাথে কথা বলা দরকার (সুপারভাইজর, সিনিয়র, ডিপার্টমেন্টাল এক্সপার্ট), এবং বাংলাদেশে গবেষণা শুরু করতে গিয়ে কোন কোন বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারে, এই অংশে সেই ভিত্তিগুলো পরিষ্কার হবে।

কীভাবে আপনার টপিক–সংক্রান্ত সঠিক রিসার্চ পেপার খুঁজবেন, কোনটা ভালো জার্নাল আর কোনটা প্রিডেটরি তা চিনবেন, কীভাবে রিসার্চ পেপার দ্রুত ও কার্যকরভাবে পড়বেন—এই অংশ আপনাকে গবেষণার “ইনফরমেশন ইকোসিস্টেম” আয়ত্ত করতে সাহায্য করবে।

গবেষণার নতুনত্ব (novelty) নির্ধারণ, লিটারেচার রিভিউ থেকে শুরু করে মেথড, রেজাল্ট, ডিসকাশন, কনক্লুশন পর্যন্ত পুরো গবেষণা–স্ট্রাকচার সাজানো, জার্নাল–কোয়ালিটি ফিগার তৈরি করা, দ্রুত পেপার লেখার অভ্যাস, রিভিশন করা—সব মিলিয়ে রিসার্চ প্রোডাকশন প্রক্রিয়া গুছিয়ে বোঝানো হবে।

সুপারভাইজরের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা, একই সময়ে একাধিক গবেষণা পরিচালনার কৌশল, নিজের মানসিক অবস্থা ও স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট—এই অংশটা গবেষক হিসেবে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকার গুরুত্বপূর্ণ স্কিলগুলো তুলে ধরে।
